Founder Messege
জনাব হাজী মোহাম্মদ মজিবল হক মলূ ভ‚খন্ড থেকে বিছিন্ন সুজলা, সুফলা শস্য শ্যামলা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা হাতিয়া দ্বীপের ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নের মধ্যমাইজারা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মসু লিম পরিবারে ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে ০১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা হাজী মোহাম্মদ হাসমত উল্ল্যাহ এবং মাতা মরহুম ছাহেরা খাতুন।
১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার ১০ নং জাহাজমারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়াডের্র অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলে মুষ্টিমেয় কয়েকজন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের প্রয়াসে প্রতিষ্ঠাতা হাজী মোহাম্মদ মজিবল হক অত্র এলাকার শিক্ষার আলো বিস্তরনে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। দারিদ্রতা, পশ্চাৎপদতা ও নিরক্ষতামুক্ত একটি সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিজস্ব মালিকানা থেকে ১০০ শতাংশ জমি দান করে বাড়ির বর্হিপ্রাঙ্গনে “বিরবিরি সেন্টার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়” টি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে বিদ্যালয়ের আজীবন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। এছাড়াও জনাব হাজী মোহাম্মদ মজিবল হক সেন্টার বাজার এলাকার হাজী ফাজিল আহম্মদ জামে মসজিদের জন্য ২০ শতাংশ জমি দান করেন এবং জাহাজমারা ও সোনাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহয়তা দান করে অনন্য অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন একজন ধার্মিক, দানবীর, সমাজ হিতৈষী এবং কোমল হৃদয়ের অধিকারী। তিনি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার দুপুর ২:৪৫ টায় মৃত্যু বরন করেন।
[বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ তাঁর পরকালীন জীবনে যেন জান্নতুল ফেরদৌস দান করুন]
১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে। ০১—০১—১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায় এমপিও ভুক্ত হয়। ১৯৯৮ সালে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয়। ০১—০৫— ২০১০ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক পযার্য় এমপিও ভুক্ত হয়। কিুমল্লা শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে ১৯৯৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশের ফলাফল অর্জন করে এবং বৃহত্তর নোয়াখালী জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে। পরবতীর্তে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় একাধিকবার শতভাগ পাশের ফলাফলসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ—৫.০০ অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৯৭ জন যার মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ২৬২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৪৩৫ জন। বিদ্যালয়টিতে উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪৪৪ জন এবং উপবৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬৬৫ জন। বিদ্যালয়ে বর্তমানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক বিভাগ চালু আছে।